Breaking News

যৌন দুর্বলতার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

ধাতু দর্বলতা কি ?

ধাতু দূর্বলতা -অনৈচ্ছিক বীর্যপাতের নামই হলো ধাতু দুর্বলতা।এ ধরনের সমস্যায় সপ্নাবেশ বা কোম উদ্দীপনা ছাড়াই বারবার বীর্যস্থলন হয়।সাধারণভাবে বলতে গেলে ইহা নিজে কোন রোগ নয় বরং অন্যান্য রোগের উপসর্গ।

ধাতু দূর্বলতা (Spermatorrhoea) এর কারণসমূহঃ 

যৌবন কালে অস্বাভাবিক উপায়ে শুক্র ক্ষয় হলে এই সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে,হস্তমৈথুন এবং অতিরিক্ত যৌন মিলন করা ইহার প্রধান কারণ।কোষ্ঠকাঠিন্য,অর্শ্বরোগ ইত্যাদির কারণেও ইহা হতে পারে।আবার অনেক সময় সিফিলিস, গনোরিয়া,ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ স্বরূপ এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।স্বাভাবিক ভাবে হরমোনের অভাবে অথবা কৃত্রিম অতিরিক্ত মৈথন বা অস্বাভাবিক শুক্রপাত করতে থাকলে স্পারম্যাটোরিয়া সৃষ্টি হতে পারে। আবার অনেক সময় অপুষ্টি বা ভিটামিন প্রভৃতির অভাবে অথবা দীর্ঘদিন রক্তশূন্যতা বা নানা প্রকার রোগে ভোগার ফলে ইহা দেখা দিতে পারে। যারা সাধারণত বেশি পরিমান যৌন মিলন করে, অতিরিক্ত শুক্রক্ষয় করে তাদের শুক্রথলিতে শুক্র বেশি সঞ্চিত থাকে না। ইহার ফলে তাদের শুক্র নির্গত হলে দেখা যায় তাদের শুক্রে ঘনত্ব (viscosity) কম এবং তা দেখতে বেশ তরল। ইহাতে রোগীর ভয়ানক দুর্বলতা সৃষ্টি হয়।


ধাতু দৌর্বল্য (Spermatorrhoea) এর লক্ষণসমূহঃ

স্পারম্যাটোরিয়ার লক্ষণযুক্ত রোগীর শুক্র অত্যন্ত তরল হয়।অনেক সময় পাতলা পানির মত,নির্গত শুক্রে ঘনত্ব (viscosity) খুব কম হয়।রোগী ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দেহগত অপুষ্টির ভাব প্রকাশ পেয়ে থাকে।দেহের সৌন্দর্য নষ্ট হয় এবং জীর্ণ শীর্ণ হয়ে পড়ে,মুখ মলিন এবং চক্ষু কোঠরাগত হয়ে পরে।দেহে প্রয়োজনীয় প্রোটিন এবং ভিটামিনের প্রবল অভাব পরিলক্ষিত হয়। রোগীর জীবনীশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং নানা প্রকার রোগে অতি সহজেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

দেহে যৌন হরমোন বা পিটুইটারি এড্রিনাল প্রভৃতি গ্রন্থির হরমোন কম নিঃসৃত হয়।ইহার ফলে দেহে যৌন ক্ষমতা কমে যায় এবং শুক্র ধীরে ধীরে পাতলা হতে থাকে।আবার এর কারণে সিফিলিস,গনোরিয়ার মত রোগের প্রকাশ লাভ করার সুযোগ হয়।শুক্রপাত বেশি হওয়ার দরুন দৈহিক এবং মানসিক দুর্বলতা বৃদ্ধি পায়,মাথা ঘোরে,বুক ধড় ফড় করে, মাথার যন্ত্রণা দেখা যায়।আক্রান্ত ব্যক্তি সর্বদাই অস্থির বোধ করে।বসা থেকে উঠলেই মাথা ঘোরে এবং চোখে অন্ধকার দেখে,ক্ষধাহীনতার ভাব দেখা দেয়।ইহাতে পেনিস বা জননেদ্রীয় এতটাই দুর্বল হয়ে যায় যে,তার শুক্রের ধারণ শক্তি একেবারে কমে যায়।রাত্রে স্বপ্ন দেখে শুক্র ক্ষয় হয়,আবার দিনের বেলায়ও নিদ্রাকালীন স্বপ্ন দেখে শুক্রপাত হয়।সমস্যা ধীরে ধীরে কঠিন আকার ধারণ করলে সামান্য উত্তেজনায় শুক্রপাত হয়।স্ত্রীলোক দর্শনে বা স্পর্শে শুক্রপাত ঘটে এমনকি মনের চাঞ্চল্যেও শুক্রপাত হয়।পায়খানার সময় কুন্থন দিলে শুক্রপাত হয়,স্মরণশক্তি কমে যায়,বুদ্ধিবৃত্তি কমে যায়,পুরুষাঙ্গের ক্ষীনতা ও দুর্বলতা দেখা যায়,চোখের চারদিকে কালিমা পড়ে,অকাল বার্ধক্য এবং ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। এই বিশ্রী সমস্যার লক্ষণ মানুষের বিশেষ করে তরুনদের উন্নতির পথে প্রধান একটা অন্তরায় হয়ে দাড়ায়।

জটিল উপসর্গসমূহ :

অতিরিক্ত অপুষ্টি রোগ ভোগ, রক্ত শুন্যতা,দুর্বলতা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই ইহাতে তেমন জটিল উপসর্গ দেখা দেয় না। যাদের হরমোনের অভাব হয় বা বীর্যে শুক্রকীট থাকে না তাদের অনেক সময় এর দরুন সন্তান হয় না। এছাড়া শুক্রের ঘনত্ব (viscosity) নস্ট হওয়ার কারণে ইহা অতি সহজেই নির্গত হয় এবং এর ফলে যৌন আনন্দ পাওয়া যায় না।অনেক সময় এর ফলে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মানসিক অশান্তি দেখা দেয় এবং নানা পারিবারিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই উপসর্গযুক্ত পুরুষদের স্ত্রীরা মানসিক অশান্তি এবং হতাশায় ভোগে।পরোক্ষভাবে সাংসারিক অশান্তি এই রোগের একটি জটিল উপসর্গ বলা যেতে পারে।


 চিকিৎসা ব্যবস্থাঃ

উপরে বর্ণিত লক্ষণগুলির সব কয়টি বা কোন কোনটি এই সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়ে থাকে।যেহেতু এই অবস্থায় আক্রান্ত ব্যক্তি মানসিক ভাবে অনেক দুর্বল থাকে তাই রাস্তা ঘাটের তথাকথিত হারবাল,কবিরাজ, ভেষজ নামধারী চিকিৎসক,তাদের খুব সহজেই প্রতারিত করে থাকে। কিন্তু দেখা যায় তাদের চিকিৎসায় এই সমস্যাটি পুরােপুরি নির্মূল হয় না।আর তখন ঐসব চিকিৎসকগন আক্রান্ত ব্যক্তিকে নানা প্রকার উত্তেজক ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করেন।আর সহজ সরল ব্যক্তিরা আসল সত্যটা না জানার কারণে তাদের দেয়া ক্ষতিকর উত্তেজক ঔষধগুলি দিনের পর দিন ব্যবহার করে করে সমস্যাটিকে আরো জটিল থেকে জটিলতর করে তুলে।

বর্তমান যুগে নানা প্রকার কুচিকিৎসা অপচিকিৎসা দ্বারা যৌন রোগের চিকিৎসা করে যেখানে বিফল সেখানে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাই একমাত্র ভরসা।হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নিরাপদ ও প্রাকৃতিক।বর্তমান সময়ে এক আলোরন সৃষ্টিকারী সফল চিকিৎসা।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 

 Origanum marjorana(অরিগেনাম): ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধ।তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত কেননা উচ্চশক্তিতে কোন ফল পাওয়া যায় না।

Moschus Moschiferus(মস্কাস) : ডায়াবেটিস রোগীদের ধ্বজভঙ্গে এটি ভালো কাজ করে।এটি ক্ষুদ্রাকৃতি হয়ে যাওয়া পুরুষাঙ্গকে পূর্বের আকৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

kali Bromatum(কেলি ব্রোম) : বিষন্নতা জনিত কারণে যৌন দুর্বলতায় এটি প্রযোজ্য।ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলি হলো স্মরণশক্তির দুর্বলতা,স্মায়বিক দুর্বলতা,হাত দুটি সর্বদাই ব্যস্ত থাকে,মৃগী ইত্যাদি লক্ষণ সমষ্টিসহ যৌণ দর্বলতার রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধ।

Staphisagria(স্ট্যাফিসেগ্রিয়া) : পুরুষদের যৌন দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ট ঔষধ।বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে,তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য।এটি Q,৩,৬,৩০,২০০ ইত্যাদি যে-কোন শক্তিতে খেতে পারেন।তবে যত নিম্নশক্তিতে খাওয়া যায় তত উত্তম।রোজ পাঁচ ফোটা করে সকাল-সন্ধ্যা দু’বার।বিয়ের প্রথম কিছুদিনে মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি খেতে পারেন।কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্কর।

Salix nigra(সেলিক্স নাই): মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম,হস্তমৈথুন,স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দুর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা।এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে,এই ঔষধ একই সাথে তাদের ওজনও বাড়িয়ে দিয়ে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে।পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন,এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে সাহায্য করে।এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন।এই ঔষধটি যাদের যৌনশক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাদেরটা বাড়িয়ে স্বাভাবিক করবে এবং যাদেরটা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বেশী তাদেরটা কমিয়ে স্বাভাবিক করবে।

Sabal serrulataসেবাল সেরুনেটা): সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি,ঘুম,শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি পায়।এটি মেয়েদেরও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি করে থাকে।বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যে-কোন সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে পারে। এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন।

Lycopodium clavatum(লাইকোপোডিয়াম ক্লেভেটাম) : লাইকোপোডিয়াম ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ।মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে এটি খেতে পারেন।লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়,এদের ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব খারাপ,এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কোন না কোন সমস্যা থাকবেই,অকাল বার্ধক্য, সকাল বেলা দুর্বলতা ইত্যাদি লক্ষণ সমষ্টিতে লাইকোপোডিয়াম উপযোগী।

Calcarea Carbonica(ক্যালকেরিয়া কার্ব): ক্যালকেরিয়া কার্ব যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ।বিশেষত মোটা,থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকারী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।এটি ৩০ শক্তিতে ৫ ফোটা করে রোজ সকালে একবার করে খেতে পারেন।

Natrum carbonicum(নেট্রাম কার্ব): যে-সব নারীদের পুরুষরা আলিঙ্গন করলেই বীযর্পাত হয়ে যায় অর্থাৎ অল্পতেই তাদের তৃপ্তি ঘটে যায় এবং পরে আর সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না,তাদের জন্য উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো নেট্রাম কার্ব।এই কারণে যদি তাদের সন্তানাদি না হয় অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়,নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাবে।

Nux Vomica(নাক্স ভুমিকা) : নাক্স ভমিকা ঔষধটি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধ বিশেষত যারা শীতকাতর,যাদের পেটের সমস্যা বেশী হয়, সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকে,শারীরিক পরিশ্রম কম করে,মানসিক পরিশ্রম বেশী করে ইত্যাদি নাক্স ভুমিকার নির্দেশক লক্ষণ সমষিতে প্রয়োগ করলে যৌণ সমস্যার সমাধান হবে।

Acid phos(এপিস মেল): সাধারণত টাইফয়েড বা এরকম কোন মারাত্মক রোগের ভোগার কারণে,মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ ইত্যাদি কারণে যৌন ক্ষমতা কমে গেলে অথবা একেবারে নষ্ট হয়ে গেলে এবং সাথে অন্য আরো যে-কোন সমস্যা হউক না কেন,এসিড ফস আপনাকে সব ফিরিয়ে দিবে।এসিড ফস যৌণ দুর্বলতা আরোগ্যে একটি উপযুক্ত ঔষধ।

Selenium(সিলেনিয়াম): যৌন শক্তির দুর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা আছে,তাদের ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ করে।

Aesculus Hip(ইস্কুলাস হিপ)ঃপ্রত্যেকবার পায়খানা ও প্রস্রাবের পর প্রস্টেট গ্রন্থি থেকে রস নিঃসরণ;ঘুমের মধ্যে বীর্যস্খলন।জননেন্দ্রিয়ের নানাবিধ সমস্যায় এটি প্রয়োজনীয় ঔষধ।

Agnus castus(আগ্নাস ক্যাস্ট ) ঃযৌন শক্তির হ্রাস।লিঙ্গ ক্ষুদ্র ও শিথিলএমন ঢিলা যে যৌন আনন্দের উত্তেজনা প্রয়োগেও লিঙ্গোত্থান হয় না।নগণ্য লিঙ্গোত্থান যৌন ইচ্ছা ছাড়াই।অণ্ডকোষ ঠাণ্ডা,স্ফীত, শক্ত এবং ব্যথাযুক্ত।ধ্বজভঙ্গ তার সাথে প্রমেহ বিশেষ করে যাদের ঘন ঘন গনোরিয়া হয়।প্রমেহ,যৌন ইচ্ছা ব্যাতিরেকে লিঙ্গোত্থান।মলত্যাগের সময় যখন কোঁত দেয় তখন প্রস্টেট গ্রন্থির রস নির্গমন,প্রস্রাবত্যাগের সময়ও যদি চাপ দেয় তখন অনুরূপ রস ক্ষরণ হয়।রেতঃরজ্জুতে একটি টান টান ভাব থাকে ।দুর্বল উত্তেজনা ও মূত্রাশয় গ্রন্থি থেকে রসক্ষরণ,এর ফলে কৃত্রিম উপায়ে রেতঃপাত,যৌনাঙ্গে চুলকানি।মূত্রনালি হতে হরিদ্রা বর্ণের স্রাব।যৌন ইচ্ছা প্রচাপিত সহ গনোরিয়া।

Aleo (এলো) : যৌন ইচ্ছা বর্ধিত,ঘুম হইতে জাগ্রত হওয়ার পর, আহারের পর,সন্ধ্যায়।সকালে ও প্রস্রাবত্যাগের পর লিঙ্গোত্থান।দিবা নিদ্রাকালে অনৈচ্ছিক বীর্যপাত;সকালের দিকে যৌন উত্তেজনা,অস্থির নিদ্রা।লিঙ্গ সংকুচিত হয়ে যায়,এবং অণ্ডকোষ শীতল রোগীদের জন্য এলো উপযোগী।

Alumen(এলুমেন): রাতে আহারের সময় লিঙ্গোদ্রেক।ঘন ঘন বীর্যস্খলন।গনোরিয়া;প্রমেহ।পেটের মধ্য লাইন থেকে ব্যাথা তীর বেগে ধাবিত হয়ে,সুতার মতো হয়ে পুংলিঙ্গের নিম্নদিকে যায়।পুংলিঙ্গের বামপাশে কাটার মতো ব্যথা এই লক্ষণ সমষ্টিতে এলুমেন উপযোগী।

Alumina(এলুমিনা) : যৌন আকাঙ্খার বৃদ্ধি অথবা প্রচাপিত।ঘন ঘন রেতঃপাত ও নৈশকালীন লিঙ্গোত্থান। লিঙ্গমুণ্ডের পশ্চাতে অধিক নিঃসরণ।লিঙ্গাগ্র চামড়া থেকে ছাল উঠা।রেতঃরজ্জুতে সংকোচক ব্যাথা তার সাথে অণ্ডকোষে সংকোচন।কাঠিন্য ও ব্যাথাপূর্ণ অনুভব একটি অণ্ডকোষ।কষ্টকর মলত্যাগের সময় প্রস্টেট গ্রন্থি থেকে রস নিঃসরণ।সঙ্গমের সময় এবং লিঙ্গোত্থান চলাকালে পেরিনিয়ামে ব্যথা।রতিক্রিয়ার পর কষ্টের বৃদ্ধি।সঙ্গমের সময় ও লিঙ্গোত্থান সময়ে পেরিনিয়ামে ঘাম।এই লক্ষনে এলুমিনা উপযোগী।

Ambra grisea(এম্ব্রা গ্রেসিয়া): বাহিরের কোন কারণ ছাড়াই যৌনাঙ্গে ইন্দ্রিয় পরিতৃপ্তিকর উত্তেজনা ও চুলকানি।রেতঃরজ্জু অঞ্চলে ও ছোট থলিতে জ্বালা।সকালে লিঙ্গোত্থান,তার সাথে যৌনাঙ্গ অসাড়।দুই উরুর মধ্যবর্তী স্থানে কাঁচা ক্ষত।ভীষণ লিঙ্গোদ্রেক সকালে কিন্তু কামোন্মত্ততা সূচক কোন অনুভুতি নেই,সেইসাথে অঙ্গে অবশতা।এই লক্ষণ সমষ্টিতে যৌণ দর্বলতা দুর করতে প্রয়োজনীয় ঔষধ।

Ammonium carb(এমন কার্ব) : অত্যধিক যৌন ইচ্ছা, কামবিষয়ক চিন্তা ছাড়া অযথা লিঙ্গোত্থান অথবা যৌন ইচ্ছার অভাব অন্য লিঙ্গের প্রতি বিমুখতা।বারবার কৃত্রিম উপায়ে রেতঃপাত,এবং অণ্ডকোষের মধ্যে সংকোচন, হেঁচড়ানো ও ভারি অনুভুতি।কষ্টকর মলত্যাগের সময় প্রস্টেট গ্রন্থি থেকে রস নিঃসরণ এমন কার্ব উপযোগী।

Anacardium ori(এনাকার্ডিয়াম ওরিয়েন্টাল) :দিনে উত্তেজনা ছাড়াই লিঙ্গোত্থান।কৃত্রিম উপায়ে রেতঃপাত।অণ্ডকোষে সুখকর চুলকানি।যৌন ইচ্ছার বৃদ্ধি অথবা উত্তেজনা অভাব ও সঙ্গমের সময় সুখানুভূতির অভাব।প্রস্রাব ও মলত্যাগের পর প্রস্টেট গ্রন্থি থেকে রস নিঃসরণ।কঠিন মলত্যাগের সময় বীর্য নিঃসরণ।

Anagallis arvensis(এনাগেলিস আর্ভেনসিস) : লিঙ্গোত্থানের পূর্বে ও সময়ে মুত্রনালিতে জ্বালা সঙ্গমের সময় উপশম। ডান অণ্ডকোষ ও রেতঃরজ্জুতে টেনেধরা ব্যথা।রেতঃরজ্জুতে ছিন্নকর ব্যথা।সিম্ফাইসিস পিউবিসে শিহরণ।

Conium ( কোনিয়াম ):স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অধিক কিন্তু অক্ষম।সহবাস কালে সোহাগ আলিঙ্গনের সময় লিঙ্গ শিথিল হইয়া পড়ে।সেবন – শক্তি ২০০, ১ এম বা আরো উচ্চ শক্তি,২-৪ মাত্রাই উপকার হয়।

Titanium ( টিটেনিয়াম ) : সঙ্গমে অতি শীঘ্রই বীর্যপাত ও বীর্যপাতলা।টিটানিয়াম যৌণ দুর্বলতা দুর করতে উপযোগী।সেবন ঃ- ৩x প্রত্যহ -২ টি করে ট্যাবলেট দিনে ৩ বার সেব্য।

Nuphar Lut (নুপার লুটিয়া) : কাম উত্তেজনার কথায় কিংবা উত্তেজনায় অসাড়ে বীর্যপাতও যৌণ দুর্বলতা নিরাময়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ।সেবন ঃ- নিন্ম শক্তি ( মাদার ) ১০ ফোটা করে সামান্য পানির সঙ্গে প্রত্যহ ৩ বার সেব্য।

Turnera (টার্নেরা) : শুক্র বর্ধক ওষুধ।রোগীর যৌণ দুর্বলতা চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ঔষধ।সেবন ঃ- নিন্ম শক্তি ( মাদার ) ১০ ফোটা করে সামান্য পানির সঙ্গে প্রত্যহ ৩ বার সেব্য।

Avena Sat (এভেনা স্যাট) : হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ বা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস জনিত শারীরিক দুর্বলতার জন্য উপকারী।সেবন ঃ- নিন্ম শক্তি ( মাদার ) ১০ ফোটা করে সামান্য পানির সঙ্গে প্রত্যহ ৩ বার সেব্য।

Medorrhinum (মেডোরিনাম): গনরিয়া রোগে আক্রান্ত হইয়া ধজভঙ্গ পীড়ায় প্রথমে এ ওষুধ পরে লক্ষ অনুযায়ী অন্য ওষুধ সেবন করিবে।

Phosphorus(ফসফরাস):সুন্দর লম্বা ছিপছিপে গড়ন,চালাক সমান্য কারনে মন খারাপ।হাঁটতে সামান্য নুয়ে চলে এই ধাতুর রোগী হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ বা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস বা অসাড়ে শুক্রক্ষরন ইত্যাদি কারনে ধ্বজভঙ্গ।সেবন ঃ- ২০০ শক্তি বা ১ এম সকাল বিকাল ২ মাত্রা সেব্য।

 বায়োকেমিক ঔষধসমুহ

Natrum Mur (নেট্রাম মিউর): স্ত্রী লোক দেখিলে কথা বলিলে এমন কি মনে মনে ভাবিলেও অসাড়ে বীর্যপাত হয়ে যায়।সেবন ঃ- 12x বা আরো উচ্চ শক্তি ৪ বড়ি করে দিনে ২ বার সেব্য।

Kali Phos (কেলি ফস):অতিরিক্ত বীর্যক্ষয় জনিত অনিদ্রা, কাজ কর্মে অনিচ্ছা, জননেন্দ্রিয় দুর্বলতা সেবন ঃ12x বা আরো উচ্চ শক্তি ৪ বড়ি করে দিনে ২ বার।

Silicea (সাইলেসিয়া):স্বপ্নদোষ,হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস ইত্যাদি কুফল এর জন্য উপযোগী।সেবন – 12x বা আরো উচ্চ শক্তি ৪ বড়ি করে দিনে ২ বার সেব্য।

যৌণ সমস্যার জন্য হোমিওপ্যাথ একমাত্র চিকিৎসা,দ্রুত কোনো ভালো রেজিঃ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরার্মশ নিন।হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নিয়মিত সেবনে যৌন দুর্বলতা নিরাময় হয়।

About The Author

DR. MOHAMMAD SHARIFUL ISLAM

নামঃ- ডা. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম হোমিও হল সংক্ষিপ্ত নামঃ এস এই হোমিও হল

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *