Breaking News
ডায়াবেটিস ফর্মূলা

ডায়াবেটিস ফর্মূলাঃ

ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করা সম্ভব। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করুন এবং ডায়াবেটিস মুক্ত থাকুন। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবনে শতকরায় ৯৫ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পুরোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত রাখা সম্ভব। যদিও কিছু রোগী পুরোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন না; তথাপি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে অন্য যে কোন পদ্ধতির চাইতেও অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। এখানে উল্লেখিত ঔষধ গুলো চক্রাকারে এক সপ্তাহ করে খাবেন।

আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দ্বিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (যেখানে ১০ ফোঁটা, সেখানে ২০ ফোঁটা করে)। আবার, শিশু কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোঁটা করে খেতে পারেন। যদি সুগার লেভেল কম থাকে; তবে অন্যান্য নিয়ম কানুন পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ, সকল হোমিওপ্যাথিক ঔষধই খালি পেটে খাওয়া ভালো। তবে খালি পেটে ভুলে গেলে, ভরা পেটেও খেতে পারেন।

এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধ গুলো অন্য যে কোন ঔষধের সাথে একত্রে খেতে পারেন (হোক তা ট্যাবলেট, ক্যাপসুল বা ইনজেকশন); তাতে কোন সমস্যা হবে না। তবে অবশ্যই ডায়াবেটিসের অন্য ঔষধের সাথে আধা ঘন্টা পরে খাবেন। ডায়াবেটিস যথেষ্ট উন্নতি হলে অন্য ঔষধগুলোর মাত্রা কমিয়ে অর্ধেক করে দিন এবং লেভেল নরমালে চলে আসলে সেই ঔষধগুলি পুরোপুরি বন্ধ করে দিন।

এখান থেকে যে কোন ঔষধ আপনি বাদ দিতে পারেন। সেটি কোন কাজ (উপকার) করছে না অথবা অনাকাঙ্খিত সমস্যায় (যেমন- বুকজ¦ালা, চুলকানি, ব্যথা, যৌনশক্তি বৃদ্ধি ইত্যাদি) সৃষ্টি করছে। অবশিষ্ট তাদের প্রদত্ত সিরিয়াল বা ধারাক্রম অনুযায়ী খেতে থাকুন। ঔষধের শক্তি এবং মাত্রা নির্দেশনা পরিবর্তন করা যাবে না। ঔষধের নিম্ন শক্তি ঔষধ খেতে হবে। হোমিওপ্যাথিক ঔষধের পাশর্^ প্রতিক্রিয়া খুবই কম, নাই বললেই চলে। আমরা সবাই জানি যে, ঔষধের শক্তি  Q/3x/6x/12x/3c/6c

ডায়াবেটিসের কারণ দূর করাঃ ঔষধ খেয়ে ডায়াবেটিসের দূর করার পাশাপাশি আপনাকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ গুলো দূর করার জন্যও কিছু ঔষধ খেতে হবে।

১) আপনি যদি বড় ধরণের কোন মানসিক আঘাতের (যেমন- প্রেমে ব্যর্থতা, আপন জনের মৃত্যু, তালাক, চাকরি হারানো ইত্যাদি) কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে, তবে নেট্রাম মিউর ১০০০ শক্তিতে একমাত্রা বা এক ফোঁটা ঔষধ খান। তার একমাস বিরতির পর নেট্রাম মিউর ১০,০০০ শক্তিতে একমাত্রা খান এবং তারও একমাস বিরতির পরে নেট্রাম মিউর ৫০,০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান।

২) আপনি যদি টিকা বা ভেকসিন নেওয়ার ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন, তবে থুজা অক্সিডেন্টালিস ১০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান, তার একমাস বিরতির পরে থুজা অক্সিডেন্ডালিস ১০,০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান এবং তারও একমাস বিরতি দিয়ে থুজা অক্সিডেন্টালিস ৫০,০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান।

৩) যদি আপনার বংশগত/ পারিবারিক ইতিহাসে ডায়াবেটিস থাকে বা কোন সদস্য যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়, তবে সিফিলিনাম ১০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান, তার একমাস বিরতি দিয়ে সিফিলিনাম ১০,০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান এবং তারও একমাস বিরতি দিয়ে সিফিলিনাম ৫০,০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান।

৪) যদি আপনার যক্ষা বা হাঁপানি রোগের পারিবারিক/ বংশগত ইতিহাসে থাকে অথবা ঘন ঘন সর্দি কাশি হওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে ব্যাসিলিনাম ১০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান, তার তিন মাস বিরতি দিয়ে ব্যাসিলিনাম ১০,০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান এবং তারও তিন মাস বিরতি দিয়ে ব্যাসিলিনাম ৫০,০০০ শক্তিতে একমাত্রা ঔষধ খান।

ডায়াবেটিসের কারণ দুর করার উপরোক্ত চারটি ঔষধ অবশ্যই তিন মাত্রার বেশি খাবেন না। এই ঔষধ গুলো আপনি যে কোন সময় খাওয়া শুরু করতে পারেন; তবে অবশ্যই অন্য কোন ঔষধের সাথে একত্রে খাবেন না। বরং অন্য ঔষধের এক ঘন্টা আগে অথবা একঘন্টা পরে খাবেন। ইহা একটি প্রমাণিত সত্য যে, একজন হোমিওপ্যাথিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই কেবল ডায়াবেটিস পুরোপুরি নির্মূল করার ক্ষমতা রাখেন।

আমাদের হোমিওপ্যাথিক ফর্মূলা অনুযায়ী তৈরী করা হয়েছে। যা এই বিপুল সংখ্যক ডায়াবেটিসের ভুক্তভোগীদের যথেষ্ট সহায়তা করবে এবং কোন ক্ষতি করবে না। এজন্য হাজার হাজার হোমিওপ্যাথিক ঔষধ থেকে বাচাই করে, তা নির্বাচন করা হয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস নিরাময়ে প্রবল কার্যক্ষমতা আছে এবং অন্যদিকে পার্শ¦ প্রতিক্রিয়া খুবই কম। তারপর এমনভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী সাজানো হয়েছে, যাতে একটি ঔষধ অন্যটির সাথে রিয়েকশন না করে এবং পূর্বের ঔষধের একশানকে বিনষ্ট করবে না।

ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় যে এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি। অর্থাৎ অনেকগুলো রোগ, ত্রুটি, বিকৃতি সম্মিলিত ভাবে ডায়াবেটিস সৃষ্টি করে থাকে। হোমিওপ্যাথিক এই ফর্মূলা অনুসরণ করলে ডায়াবেটিসের সাথে আপনার অন্য রোগ গুলো যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি, মেদভুড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্নায়ুবিক রোগ ইত্যাদি সেরে যায়। এতে আর্শ্চয হওয়ার কোন কারণ নেই, কেননা হোমিওপ্যাথিক ঔষধ হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিক, পাকস্থলী, স্নায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের উপর অনেক ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।

ডায়াবেটিস নির্মূলে ঔষধের তালিকাঃ

১) AcidumPhosphoricum Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

২) Gymnema sylvestra Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

৩) Arsenicum Bromatum Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

৪) Syzygium Jambos Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

৫) Rhus aromaticum Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

৬) Murex purpurea Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

৭) Sanicula Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

৮) Helonias Dioica  Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

৯) Calcarea Phosphorica Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

১০) Uranium nitricum Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

১১) Iodium  Q/3x/6x/12x/3c/6c
(এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি ১০ ফোঁটা করে দৈনিক তিন বার করে এক সপ্তাহ করে খান)

এরপর পুনরায়, এক নম্বর ঔষধ থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন। যতদিন না ডায়াবেটিস নির্মূল না হয়।