Breaking News

গর্ভকালীন প্রাতঃকালে গা বমি বমি ও বমন

জরায়ুর সহিত পাকাশয়ের ঘনিষ্ট সর্ম্পক থাকায় গর্ভসঞ্চায়ের পর হইতে এই পীড়া আরম্ভ হয়। গর্ভসঞ্চারের ৬ সপ্তাহ পর হইতে সচরাচর ইহা শুরু হয় ৩ মাস পর্যন্ত থাকে। ইহাতে গা বমি বমি, বমন, মুখ দিয়ে জল উঠা প্রকৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

চিকিৎসা
প্রধান প্রধান ঔষধঃ ইপিকাক, নাক্স ভমিকা, ককিউলাস, পালসেটিলা ইত্যাদি

ইপিকাকঃ অনবরত গা বমি বমি, পিত্ত বা শ্লেষ্মা বমন, পেটের ভিতর অস্বস্তি বোধ, বমন অপেক্ষা বমনেচ্ছা বেশী। সেইসঙ্গে যদি জিহ্বায় বিশেষ ময়লা না থাকে প্রায় পরিস্কার এবং পিপাসা না বা সামান্য আছে তাহলে সেখানে ইপিকাকই একমাত্র ঔষধ।

নাক্স ভমিকাঃ গা বমি বমি, বিশেষতঃ সকালে আহারের সময় ও আহারের পরে পেটে ভার, হিক্কা, তিক্ত ঢেঁকুর উঠা, পিত্ত, শ্লেষ্মা বা অম্ল বমি ও কোষ্ঠবদ্ধতা। বমি করতে পারলে ভাল হত রোগী এইরুপ মনে করে।

ককিউলাসঃ সকাল বেলা শয্যা হইতে উঠিলেই বমি, মাথাঘোরা নড়াচড়া করিলে বমি। ইহা সাধারণতঃ গর্ভবতী, যাহাদের অত্যন্ত গা বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা ও কোমরে বেদনা তাদের উপযোগী।

পালসেটিলাঃ মৃদু প্রকৃতির স্ত্রীলোক, প্রত্যেকবার আহারের পর বমন, মুখে তিক্ত স্বাদ বিশেষতঃ সকালে উদরাময়, অরুচি।

আর্সেনিক এলবাঃ পানাহার করিলেই বমি, দুর্বলতা. পিপাসা, অল্প অল্প জলপান, শীর্ণতা ইত্যাদি।

এন্টিম ক্রুডঃ ভুক্ত দ্রব্যের গন্ধ বিশিষ্ট ঢেঁকুর উঠা, অতিরিক্ত আহারের পর বমি, গা বমি বমি ও মাথাঘোরা।

ফসফরাসঃ অম্ল ঢেঁকুর উঠা ও বমি, আহারের পর নিদ্রালুতা, জল ও দুধ পেটে গিয়ে গরম হইলেই বমি হয়।

ঔষধ প্রয়োগঃ রোগ বেশি প্রবল আকারে হলে ৩/৪ ঘন্টা অন্তর ঔষধ দিবে। নতুবা সকাল ও সন্ধ্যা দুইবার।

আনুষঙ্গিক নিয়মঃ উপযুক্ত পরিশ্রম করিবে এবং মন সর্বদা প্রফুল্ল রাখিবে।

পথ্যঃ সহজ অথচ পুষ্টিকর খাদ্যদ্রব্য আহার করিবে। টক, লঙ্কা মরিচ, চুন প্রভৃতি আহার নিষেধ।

About The Author

DR. MOHAMMAD SHARIFUL ISLAM

নামঃ- ডা. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম হোমিও হল সংক্ষিপ্ত নামঃ এস এই হোমিও হল

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *